সোমবার, ০৬ Jul ২০২৬, ০৩:৩২ অপরাহ্ন
প্রথম দফার রোহিঙ্গাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, তাদের অনেক স্বজনই প্রথমবার ভাসানচরে আসতে পারেনি। তারা ভাসনচরে আসার জন্য তাদের উৎসাহী করেছেন। কক্সবাজার রোহিঙ্গা ক্যাম্পের চেয়ে এখানে বসবাসের জীবনমান অনেক উন্নত। তারা সেই বিষয়টিতে আস্থা রেখেই স্বেচ্ছায় দ্বিতীয় দফায় এখানে এসেছেন।
এই দলটির মধ্যে ৪৩৫টি পরিবার রয়েছেন। এর মধ্যে শিশু কিশোরের সংখ্যা অনেকবেশি।
রোহিঙ্গারা বলছে, কক্সবাজার ক্যাম্পে তাদের সন্তানদের উন্নত শিক্ষার ব্যবস্থা অনেকটা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল, তারা চাচ্ছেন এই ভাসানচরে তাদের সন্তানরা শিক্ষা পায় এবং উন্নত জীবন পেতে চায়।
এর আগে গত ৪ ডিসেম্বর দুপুরে কক্সবাজারের শরণার্থী শিবির থেকে স্থানান্তরের প্রথম ধাপে ১ হাজার ৬৪২ জন রোহিঙ্গা বঙ্গোপসাগরের দ্বীপ ভাসানচরে পৌঁছেছিল।
মিয়ানমার সেনাবাহিনীর হত্যা ও নির্যাতনের মুখে ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট থেকে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেন সাড়ে সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা। আগে আশ্রয় নেওয়াসহ বর্তমানে ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা কক্সবাজারের শিবিরগুলোতে ঘিঞ্জি পরিবেশে বসবাস করছেন।সরকারি তথ্য অনুযায়ী, রোহিঙ্গা স্থানান্তরের জন্য নিজস্ব তহবিল থেকে ৩ হাজার ৯৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ভাসানচর আশ্রয়ণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে সরকার। সেখানে এক লাখ রোহিঙ্গা বসবাসের উপযোগী ১২০টি গুচ্ছগ্রামের অবকাঠামো তৈরি করা হয়েছে। ভাসানচরের পুরো আবাসন প্রকল্পটি বাস্তবায়ন ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী।